Book Your Appointment

👨‍⚕️ অভিজ্ঞ ও যোগ্য চিকিৎসক দল

– বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল টিম, যারা নির্ভরযোগ্য ও রোগীবান্ধব সেবা নিশ্চিত করেন।

🔬 আধুনিক ডায়াগনস্টিক ল্যাব

– বিশ্বমানের ল্যাব সুবিধা, যেখানে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া যায়।

🛏️💊 উন্নত ইনডোর চিকিৎসা ব্যবস্থা ও পূর্ণাঙ্গ ফার্মেসি সুবিধা

– রোগী ভর্তি রেখে চিকিৎসার জন্য স্যানিটারি, নিরাপদ ও আরামদায়ক পরিবেশ এবং ২৪ ঘণ্টা সেবার নিশ্চয়তা।

– হাসপাতালের নিজস্ব ফার্মেসি যেখানে সঠিক ওষুধ এবং চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী মেডিসিন সরবরাহ হয়।

FAQ's

❓ ১. বিসমিল্লাহ ডিজিটাল ল্যাব কোথায় অবস্থিত এবং কীভাবে যাওয়া যায়?
❓ ২. এখানে কী কী ধরনের চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়?
❓ ৩. কীভাবে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া যায়?
❓ ৫. হাসপাতালে ভর্তি থাকার খরচ কত এবং কী কী সুবিধা থাকে?

Why Us?

🏥 পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ

– হাসপাতালের চারপাশে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং জীবাণুমুক্ত রাখার ব্যবস্থা।

📞 দ্রুত রেসপন্স ও রোগী সহায়তা ডেস্ক

– রোগী বা তাদের স্বজনদের যেকোনো প্রশ্ন বা সমস্যার দ্রুত সমাধানে সক্রিয় হেল্প ডেস্ক।

🚑 জরুরি অ্যাম্বুলেন্স ও ইমারজেন্সি সেবা

– ২৪ ঘণ্টা জরুরি চিকিৎসা ও দ্রুতগতির অ্যাম্বুলেন্স সুবিধা।

বিশ্বমানের সেবা এখন আপনার গোড়পাড়াতে

সুতরাং নির্ভাবনায় সেবা নিন; সুস্থ থাকুন।

Todays Tip from Dr. M Shoriful Alam

গ্যাস্ট্রিক থেকে বাঁচতে গুরুত্বপূর্ণ করণীয়

❤️ হার্ট ভালো রাখার ২০টি টিপস:

  • নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করুন: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা দৌড় বা সাইকেল চালানো হার্টের জন্য খুবই উপকারী।
  • ট্রান্স ফ্যাট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট এড়িয়ে চলুন: এই ধরনের চর্বি রক্তনালী ব্লক করে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • সবুজ শাকসবজি বেশি খান: পালং, ব্রকলি, ধনে পাতা, লেটুস—এগুলো হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী।
  • প্রতিদিন ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন: বিশেষ করে আপেল, কলা, আঙুর, বেদানা ও বেরি জাতীয় ফল।
  • প্রসেসড খাবার ও ফাস্ট ফুড এড়িয়ে চলুন: এতে অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ট্রান্স ফ্যাট থাকে।
  • ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করুন: এগুলো হৃদরোগের অন্যতম প্রধান কারণ।
  • অতিরিক্ত ওজন কমান: ওজন বেশি হলে হার্টকে বেশি পরিশ্রম করতে হয়।
  • লবণ খাওয়া কমিয়ে দিন: অতিরিক্ত লবণ উচ্চ রক্তচাপের মাধ্যমে হার্টের ক্ষতি করে।
  • মদপান পরিহার করুন: এটি রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল বাড়াতে পারে।
  • মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন: নিয়মিত মেডিটেশন, প্রার্থনা, কিংবা প্রকৃতির মাঝে সময় কাটান।
  • পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন: প্রতিদিন ৬-৮ ঘণ্টা ঘুম হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি।
  • নিয়মিত রক্তচাপ মাপুন: হাই ব্লাড প্রেসার হার্টের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
  • রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করুন: LDL কম ও HDL বেশি রাখার চেষ্টা করুন।
  • বেশি পানি পান করুন: শরীর হাইড্রেটেড থাকলে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে।
  • বাদাম ও ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার খান: যেমন: কাঠবাদাম, আখরোট, চিয়া সিড, সামুদ্রিক মাছ।
  • চিনি খাওয়া সীমিত করুন: বেশি চিনি খেলে ডায়াবেটিস ও হার্ট ডিজিজের ঝুঁকি বাড়ে।
  • চেকআপ করান বছরে একবার: হার্ট ও রক্তনালীর অবস্থা জানতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা জরুরি।
  • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন: ডায়াবেটিস থাকলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
  • সবসময় পজিটিভ চিন্তা করুন: নেতিবাচক মানসিকতা হৃদযন্ত্রে চাপ সৃষ্টি করে।
  • পারিবারিক ইতিহাস জানুন: যদি পরিবারে কারও হার্ট ডিজিজ থাকে, আপনি আরও সতর্ক থাকুন।

From the Blog

Our Partners